মোঃ আইয়ুব আলী,বিশেষ প্রতিনিধিঃঈদের দিন দুপুরের পর অবিশ্বাস্য উপস্থিতি নিয়ে ঈদ পূর্ণমিলন করেছেন উল্লাপাড়ার গণমানুষের নেতা আলহাজ্ব মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
আজ ১১ এপ্রিল ২০২৪ ইং রোজ বৃহস্পতিবার ঈদের দিন সকাল থেকেই মানুষ বিভিন্ন ব্যস্ততা থাকা সত্ত্বেও নেতাকে একনজর দেখতে দূর দূরান্ত থেকে মানুষের উপচে পড়া ঢল।
সদ্য কারা মুক্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান দীর্ঘ ৩০ মাস ৬ দিন কারা ভোগের পর মুক্তি পেয়ে এলাকায় গিয়ে এলাকার মানুষের আগের চেয়ে শতগুণ বেশি আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন।
এ সময় মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন অননুষ্ঠানিক ভাবে এই প্রোগ্রামটি করছি। আমি কল্পনাও করতে পারি নাই যে, আমি আপনাদের মনে এতটুকু জায়গা অর্জন করতে পেরেছি। আমি আসলেই খুবই গর্বিত। আমি সারা জীবন আপনাদের একজন ভাই, সন্তান ও আপনাদের খাদেম হয়ে ইসলামের খেদমত করে যেতে চাই।
তিনি আরো বলেন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন বেশি বেশি ক্ষমা চাও এবং ক্ষমা করো মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করো মানুষকে সালাম বিনিময় কর তাহলে তোমাদের জান্নাতের পথ সহজ হয়ে যাবে। মনে রাখবেন ভালো কাজ খারাপ কাজকে দূর্ভীত করে।
এ সময় তিনি আরো বলেন দ্বীন কায়েমের আন্দোলন ছাড়া কোন গতি নাই পরকালে পার পাওয়ার কোন জায়গা নাই তাই সকলকে জানমাল দিয়ে দিন কায়েমের আন্দোলনে শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত শরীক থাকতে হবে বলে এলাকাবাসী, উল্লাপাড়া বাসী ও সিরাজগঞ্জবাসীর সকল মুসলমানদের জন্য ও বিভিন্ন সময়ে ইসলামী আন্দোলন করতে গিয়ে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের জন্য দোয়া চেয়ে বক্তব্য শেষ করেন।
এ সময় নওকৈড় এলাকাবাসী দৈনিক ক্রাইম তলাশ কে বলেন রফিকুল ইসলাম এর মত এত ভালো মানুষ আমাদের এলাকায় সাধারণ তো পাওয়া যায় না। উনি একজন সৎ, যোগ্য, ধার্মিক, সমাজসেবক এবং পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ মুসলমানদের অনুপ্রেরণা। উনার মত ভালো মানুষ রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকলে আমরা নিশ্চিন্তায় নির্দ্বিধায় থাকতে পারবো।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উল্লাপাড়া উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উল্লাপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উল্লাপাড়া থানা আমীর অধ্যাপক শাহজাহান আলী,,মশিপুর সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ফখরুল ইসলাম, প্রিন্সিপাল গোলাম মোর্তুজা সহ দূর দূরান্ত থেকে আসা আলেম-ওলামা, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকবৃন্দ।
প্রতিবেদকের নাম 




















