
নিউজ ডেস্ক: নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার ৩নং পোগলা ইউনিয়নের টেংগা গ্রামে ছাত্রদল নেতা রুপন মাহমুদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলার জন্য স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের দায়ী করা হচ্ছে।
গত ৫ মার্চ রাত আনুমানিক ১২টার দিকে রুপন মাহমুদ চিৎকার শুনে ঘর থেকে বের হলে দেখতে পান, একদল লোক হাতে লাঠিসোটা নিয়ে এগিয়ে আসছে। তিনি তাদের জিজ্ঞেস করলে তারা জানান, তারা একটি মাজার ভাঙতে যাচ্ছে। রুপন মাহমুদ মাজার ভাঙার বিষয়ে প্রশ্ন করলে হামলাকারীরা তার ওপর হামলাসহ মারধর শুরু করে।
রুপনের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে। তিনি জানান, হামলাকারীদের মধ্যে তিনি মো. জুনায়েদ ও তাইজুল ইসলামকে
সাবেক ওয়াড সভা পতি আওয়ামী লীগের মোঃ হাবিজ মেম্বারের দুইও ছেলে জড়িত
নাম জিয়াও মজিব চিল
শনাক্ত করেছেন, তবে হামলায় আরও অনেকে জড়িত ছিল।
ঘটনার খবর সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিক আল আমীন (হুদা)-কেও হুমকি দেওয়া হয়। হামলাকারীরা তাকে নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।
গ্রামের অনেকেই জানান, হামলাকারীরা নিজেদের ধর্মীয় পোশাক পরলেও তাদের কর্মকাণ্ড সন্ত্রাসীদের মতো। তারা একজন নিরীহ যুবককে পিটিয়ে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল।
স্থানীয় জামায়াত নেতারা দাবি করেছেন, হামলাকারীরা তাদের দলের সদস্য নয়। তবে পরে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, তারা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী।
এক প্রেস বিবৃতিতে জামায়াত নেতারা বলেন, “আমাদের কোনো অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে এদের সম্পর্ক নেই। অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনা হোক।”
এই হামলার ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে এ ঘটনাকে বর্তমান সরকারের দমন-পীড়নের অংশ বলে উল্লেখ করেছেন।
সাধারণ মানুষ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। তারা বলছে, “দেশে অপরাধীরা যেভাবে মানুষকে হামলা করছে, তাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কি কিছুই করবে না?”
রুপন মাহমুদ ও তার পরিবার সঠিক তদন্ত ও সুবিচারের দাবি জানিয়েছে। তারা প্রশাসনের প্রতি আস্থা রাখার কথা বললেও, অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছে।
স্থানীয়রা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যেন দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হয়। সাধারণ জনগণ বলছে, যদি প্রশাসন ব্যবস্থা না নেয়, তবে ছাত্র-জনতা রাস্তায় নামতে বাধ্য হবে।
এই ঘটনার বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদকের নাম 




















