Dhaka ১০:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচনায় আব্দুল মমিন সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও পথসভার মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৯ নরসিংদীর শিবপুর ও সদরে তিতাসের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট: জ্বলছে না রান্নার চুলা, দুর্ভোগে হাজারো পরিবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে জমি থেকে ৪০১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ কুড়িগ্রামে নিখোঁজের তিন সপ্তাহেও মেলেনি ১০ বছরের শিশু লতিফের সন্ধান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক খুন, আহত ৫

যোহরের পর ঘুম? রাসুল (সা.)-এর সুন্নাহর পেছনে বিজ্ঞান কী বলে?

print news

ইসলামিক ডেস্ক◼️

 

ব্যস্ত জীবনের তালে মাঝেমধ্যে যোহরের পর একটুখানি চোখ বন্ধ করাটা যেন বিলাসিতা মনে হয়। অথচ এটি ছিল বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অন্যতম সুন্নাহ। তিনি নিয়মিতভাবে ‘কাইলুলাহ’ নামক যোহরের পর স্বল্প সময়ের বিশ্রাম নিতেন। প্রশ্ন হচ্ছে—এই ছোট্ট ঘুমের পেছনে কি কেবল আরামের ইচ্ছা, না কি রয়েছে বড় কোনো হিকমত?

 

পবিত্র হাদীসে এসেছে—

“দুপুরে সামান্য ঘুম গ্রহণ কর, কারণ শয়তান ঘুমায় না।” (বায়হাকী)

 

এই হাদীস শুধু একটি ধর্মীয় নির্দেশনা নয়, বরং আধুনিক বিজ্ঞান এতে খুঁজে পেয়েছে দারুণ উপকারিতা। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, দুপুরের ঘুম মানসিক চাপ কমায়, হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে এবং মস্তিষ্কে সতেজতা ফিরিয়ে আনে।

 

বিশেষ করে যারা ভোরে ঘুম থেকে ওঠেন, তাদের শরীর দুপুর নাগাদ কিছুটা ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এমন অবস্থায় ১৫-৩০ মিনিটের একটি হালকা ঘুম স্নায়ুতন্ত্রকে পুনরুজ্জীবিত করে, মনোযোগ বাড়ায় এবং কর্মক্ষমতা উন্নত করে।

 

আরেকটি গবেষণায় বলা হয়েছে, দুপুরে স্বল্প সময় ঘুমানো রাতে ঘুমের গুণমান নষ্ট করে না; বরং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং মনোসংযোগে সহায়তা করে।

 

রাসুল (সা.)-এর সুন্নাহর প্রতিটি পদক্ষেপেই রয়েছে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ। যোহরের পর ঘুমও তার ব্যতিক্রম নয়। এটি শুধু শরীরের বিশ্রাম নয়, বরং একটি সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবনের অংশ।

 

আজকের দিনভর ব্যস্ততায় আমরা যদি উনার এই সুন্নাহ অনুসরণ করি, তাহলে হয়তো আরও প্রশান্তিময়, স্বাস্থ্যসম্মত ও আলোকিত জীবন আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ

যোহরের পর ঘুম? রাসুল (সা.)-এর সুন্নাহর পেছনে বিজ্ঞান কী বলে?

আপডেটের সময়: ১২:১৯:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
print news

ইসলামিক ডেস্ক◼️

 

ব্যস্ত জীবনের তালে মাঝেমধ্যে যোহরের পর একটুখানি চোখ বন্ধ করাটা যেন বিলাসিতা মনে হয়। অথচ এটি ছিল বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অন্যতম সুন্নাহ। তিনি নিয়মিতভাবে ‘কাইলুলাহ’ নামক যোহরের পর স্বল্প সময়ের বিশ্রাম নিতেন। প্রশ্ন হচ্ছে—এই ছোট্ট ঘুমের পেছনে কি কেবল আরামের ইচ্ছা, না কি রয়েছে বড় কোনো হিকমত?

 

পবিত্র হাদীসে এসেছে—

“দুপুরে সামান্য ঘুম গ্রহণ কর, কারণ শয়তান ঘুমায় না।” (বায়হাকী)

 

এই হাদীস শুধু একটি ধর্মীয় নির্দেশনা নয়, বরং আধুনিক বিজ্ঞান এতে খুঁজে পেয়েছে দারুণ উপকারিতা। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, দুপুরের ঘুম মানসিক চাপ কমায়, হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে এবং মস্তিষ্কে সতেজতা ফিরিয়ে আনে।

 

বিশেষ করে যারা ভোরে ঘুম থেকে ওঠেন, তাদের শরীর দুপুর নাগাদ কিছুটা ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এমন অবস্থায় ১৫-৩০ মিনিটের একটি হালকা ঘুম স্নায়ুতন্ত্রকে পুনরুজ্জীবিত করে, মনোযোগ বাড়ায় এবং কর্মক্ষমতা উন্নত করে।

 

আরেকটি গবেষণায় বলা হয়েছে, দুপুরে স্বল্প সময় ঘুমানো রাতে ঘুমের গুণমান নষ্ট করে না; বরং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং মনোসংযোগে সহায়তা করে।

 

রাসুল (সা.)-এর সুন্নাহর প্রতিটি পদক্ষেপেই রয়েছে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ। যোহরের পর ঘুমও তার ব্যতিক্রম নয়। এটি শুধু শরীরের বিশ্রাম নয়, বরং একটি সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবনের অংশ।

 

আজকের দিনভর ব্যস্ততায় আমরা যদি উনার এই সুন্নাহ অনুসরণ করি, তাহলে হয়তো আরও প্রশান্তিময়, স্বাস্থ্যসম্মত ও আলোকিত জীবন আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।