Dhaka ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচনায় আব্দুল মমিন সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও পথসভার মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৯ নরসিংদীর শিবপুর ও সদরে তিতাসের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট: জ্বলছে না রান্নার চুলা, দুর্ভোগে হাজারো পরিবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে জমি থেকে ৪০১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ কুড়িগ্রামে নিখোঁজের তিন সপ্তাহেও মেলেনি ১০ বছরের শিশু লতিফের সন্ধান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক খুন, আহত ৫

১৯ মাস পর পরিবারে ফিরলেন মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারী

print news

◼️রাজু আহম্মেদ–খুলনা

 

দীর্ঘ ১৯ মাস পর পরিবারের কোলে ফিরে গেলেন মানসিক ভারসাম্যহীন পারুল আক্তার। সোমবার (৪ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে খুলনার পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে পারুলকে তার বাবার কাছে হস্তান্তর করা হয়। পারুলের বাড়ি বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলায়।

উল্লেখ্য, গত ২৯ জুলাই(মঙ্গলবার) সকালে পাইকগাছা পৌরসভার মেইন সড়কের পাশে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় এক ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জন্ম দেন পারুল আক্তার। পরে স্থানীয় চিকিৎসক ডা. আব্দুল হালিম তাৎক্ষণিকভাবে তাকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহেরা নাজনীন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অনাথ কুমার বিশ্বাস এবং উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার। তারা মা ও নবজাতকের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং পরামর্শক্রমে নবজাতককে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এসময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পারুলের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে ধাপে ধাপে পারুলের পরিবারের সন্ধান মেলে। পরে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের যৌথ ব্যবস্থাপনায় পারুলকে উন্নত মানসিক চিকিৎসার জন্য পাবনা মানসিক হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তার কন্যা সন্তান খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. সঞ্জয় কুমার।

মানবিক এ উদ্যোগের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহেরা নাজনীনসহ সংশ্লিষ্টদের প্রশংসা করেছেন এলাকাবাসী ও স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের মতে, এটি প্রশাসনের দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি এক অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ

১৯ মাস পর পরিবারে ফিরলেন মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারী

আপডেটের সময়: ০৯:৫৬:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
print news

◼️রাজু আহম্মেদ–খুলনা

 

দীর্ঘ ১৯ মাস পর পরিবারের কোলে ফিরে গেলেন মানসিক ভারসাম্যহীন পারুল আক্তার। সোমবার (৪ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে খুলনার পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে পারুলকে তার বাবার কাছে হস্তান্তর করা হয়। পারুলের বাড়ি বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলায়।

উল্লেখ্য, গত ২৯ জুলাই(মঙ্গলবার) সকালে পাইকগাছা পৌরসভার মেইন সড়কের পাশে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় এক ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জন্ম দেন পারুল আক্তার। পরে স্থানীয় চিকিৎসক ডা. আব্দুল হালিম তাৎক্ষণিকভাবে তাকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহেরা নাজনীন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অনাথ কুমার বিশ্বাস এবং উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার। তারা মা ও নবজাতকের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং পরামর্শক্রমে নবজাতককে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এসময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পারুলের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে ধাপে ধাপে পারুলের পরিবারের সন্ধান মেলে। পরে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের যৌথ ব্যবস্থাপনায় পারুলকে উন্নত মানসিক চিকিৎসার জন্য পাবনা মানসিক হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তার কন্যা সন্তান খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. সঞ্জয় কুমার।

মানবিক এ উদ্যোগের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহেরা নাজনীনসহ সংশ্লিষ্টদের প্রশংসা করেছেন এলাকাবাসী ও স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের মতে, এটি প্রশাসনের দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি এক অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত।