Dhaka ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচনায় আব্দুল মমিন সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও পথসভার মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৯ নরসিংদীর শিবপুর ও সদরে তিতাসের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট: জ্বলছে না রান্নার চুলা, দুর্ভোগে হাজারো পরিবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে জমি থেকে ৪০১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ কুড়িগ্রামে নিখোঁজের তিন সপ্তাহেও মেলেনি ১০ বছরের শিশু লতিফের সন্ধান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক খুন, আহত ৫

চারদিকে জেকে বসেছে শীত,ফুটপাতের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভীড়

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:২৫:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ৩৯৯ সময় দেখুন
print news

মোঃ শিহাব উদ্দিন,
লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি:
রাস্তার দুই পাশে ফুটপাতে শীতরে কাপড়ের দোকানগুলোতে গত কয়েকদিন ধরে নারী, পুরুষ, শিশু, তরুণ-তরুণীদের ও স্কুল কলেজের ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়। শীতকে সামনে রেখে এখন গরম পোশাক কিনছেন সবাই। পা থেকে মাথা পর্যন্ত শীত নিবারণ করতে গরম কাপড় কেনায় ব্যস্ত সর্ব স্তরের মানুষ। এখানে প্রতিদিনই ভীড় করছে নিম্ন আয়ের পাশাপাশি মধ্য ও উচ্চ আয়ের মানুষজন। উচ্চ আয়ের মানুষেরা বিভিন্ন নামি-দামি মার্কেট থেকে বিভিন্ন দামি গরম কাপড় কিনতে পারলেও মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের একমাত্র ভরসা ফুটপাতের এই দোকানগুলো। খোলা মাঠে শীতের কাপড়ের মার্কেট গুলো মূলত গরীবের শীতের মার্কেট। তবে এখানে সব ধরনের মানুষই যায় কাপর কিনতে। সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে এর দোকানগুলোর বেচাকেনা ।
গত কয়েকদিন ধরে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে ইতিমধ্যে জমে উঠেছে গরীবের এই শীতের কাপড়ের মার্কেট। এ সব ব্যবসায়ীরা শুধু শীতকে সামনে রেখে কাপড় কেনা-বেচা করে থাকেন। বছরের অন্যান্য সময় এখানে তেমন কেনা-বেচা না হলেও শীতকে সামনে রেখে এখানকার ব্যবসা জমজমাট হয়ে ওঠে।
ঈশ্বরদী হকার দোকান গুলো ঘুরে দেখা যায়, রাস্তার দুইপাশে মোট ৪০ থেকে ৫০টি দোকান বসেছে। শীতের তীব্রতা যত বাড়ছে ক্রেতার সংখ্যা তত বাড়ছে।
বিভিন্ন এলাকার শীতের কাপড় কিনতে আসা ক্রেতারা বলেন- গত কয়েকদিনের ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে জনজীবন অনেকটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শীত নিবারনের জন্য আমরা প্রতি বছর এখান থেকে শীতের কাপড় কিনে থাকি। এ বছরো কিনতে এসেছি। মার্কেটের চেয়ে এখানে দাম অনেক কম, কাপড়ের মান গত বছরের চেয়ে এ বছর একটু ভালো। পরিবারের সবার জন্য এখান থেকেই গরম কাপড় কিনেছি।
কাপড় ব্যবসায়ী মোকলেছুর রহমান বলেন, গত বছর পুরাতন শীতের কাপড়ের যে বেল্ট ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকায় আনা যেত, এ বছর সেই বেল্ট আনতে হচ্ছে ১৪ থেকে ২০ হাজার টাকায়। বেল্টের দাম বেড়ে যাওয়ায় একটু বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। বাড়তি টাকা লাগার কারনে ক্রেতাদেরও একটু বেশি টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ

চারদিকে জেকে বসেছে শীত,ফুটপাতের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভীড়

আপডেটের সময়: ০৬:২৫:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩
print news

মোঃ শিহাব উদ্দিন,
লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি:
রাস্তার দুই পাশে ফুটপাতে শীতরে কাপড়ের দোকানগুলোতে গত কয়েকদিন ধরে নারী, পুরুষ, শিশু, তরুণ-তরুণীদের ও স্কুল কলেজের ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়। শীতকে সামনে রেখে এখন গরম পোশাক কিনছেন সবাই। পা থেকে মাথা পর্যন্ত শীত নিবারণ করতে গরম কাপড় কেনায় ব্যস্ত সর্ব স্তরের মানুষ। এখানে প্রতিদিনই ভীড় করছে নিম্ন আয়ের পাশাপাশি মধ্য ও উচ্চ আয়ের মানুষজন। উচ্চ আয়ের মানুষেরা বিভিন্ন নামি-দামি মার্কেট থেকে বিভিন্ন দামি গরম কাপড় কিনতে পারলেও মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের একমাত্র ভরসা ফুটপাতের এই দোকানগুলো। খোলা মাঠে শীতের কাপড়ের মার্কেট গুলো মূলত গরীবের শীতের মার্কেট। তবে এখানে সব ধরনের মানুষই যায় কাপর কিনতে। সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে এর দোকানগুলোর বেচাকেনা ।
গত কয়েকদিন ধরে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে ইতিমধ্যে জমে উঠেছে গরীবের এই শীতের কাপড়ের মার্কেট। এ সব ব্যবসায়ীরা শুধু শীতকে সামনে রেখে কাপড় কেনা-বেচা করে থাকেন। বছরের অন্যান্য সময় এখানে তেমন কেনা-বেচা না হলেও শীতকে সামনে রেখে এখানকার ব্যবসা জমজমাট হয়ে ওঠে।
ঈশ্বরদী হকার দোকান গুলো ঘুরে দেখা যায়, রাস্তার দুইপাশে মোট ৪০ থেকে ৫০টি দোকান বসেছে। শীতের তীব্রতা যত বাড়ছে ক্রেতার সংখ্যা তত বাড়ছে।
বিভিন্ন এলাকার শীতের কাপড় কিনতে আসা ক্রেতারা বলেন- গত কয়েকদিনের ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে জনজীবন অনেকটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শীত নিবারনের জন্য আমরা প্রতি বছর এখান থেকে শীতের কাপড় কিনে থাকি। এ বছরো কিনতে এসেছি। মার্কেটের চেয়ে এখানে দাম অনেক কম, কাপড়ের মান গত বছরের চেয়ে এ বছর একটু ভালো। পরিবারের সবার জন্য এখান থেকেই গরম কাপড় কিনেছি।
কাপড় ব্যবসায়ী মোকলেছুর রহমান বলেন, গত বছর পুরাতন শীতের কাপড়ের যে বেল্ট ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকায় আনা যেত, এ বছর সেই বেল্ট আনতে হচ্ছে ১৪ থেকে ২০ হাজার টাকায়। বেল্টের দাম বেড়ে যাওয়ায় একটু বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। বাড়তি টাকা লাগার কারনে ক্রেতাদেরও একটু বেশি টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে।