
খাইরুল ইসলাম–ঢাকা থেকে◼️
গোপালগঞ্জে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া সহিংস রাজনৈতিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জনসাধারণকে ধৈর্য ধারণ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে।
গত ১৬ জুলাই, একটি রাজনৈতিক দলের আহ্বানে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় আয়োজিত জনসমাবেশ ঘিরে শুরু হয় উত্তেজনা। সেনাবাহিনীর তথ্যমতে, ওইদিন সংঘবদ্ধ একদল উশৃঙ্খল জনতা পুলিশের ওপর হামলা চালায়, সরকারি স্থাপনা ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করে। এতে পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিকসহ কয়েকজন আহত হন।
পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বিজিবি যৌথভাবে অভিযানে নামে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে একাধিকবার সতর্ক ঘোষণা দেওয়ার পরও হামলাকারীরা মঞ্চ ও জেলা কারাগারে আক্রমণ চালায় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর ককটেল ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। আত্মরক্ষার্থে সেনাবাহিনী বলপ্রয়োগ করতে বাধ্য হয়।
পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিদের খুলনায় স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে গোপালগঞ্জে কারফিউ জারি রয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানানো হয়।
সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে এবং যেকোনো ধরনের গুজব ও অপপ্রচারে কান না দেওয়ার জন্য জনসাধারণকে অনুরোধ জানানো হয়। দেশের সার্বভৌমত্ব ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী সর্বদা প্রস্তুত বলেও পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
প্রতিবেদকের নাম 






















