
কক্সবাজারের রামু উপজেলার একটি পারিবারিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ধর্মান্তর, একাধিক বিয়ে এবং পারিবারিক বিরোধের অভিযোগ ঘিরে বিষয়টি এখন স্থানীয়দের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সনাতন ধর্মাবলম্বী ফংকশ শর্মা পরবর্তীতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে একজন মুসলিম তরুণীকে বিয়ে করেন এবং নতুন নাম গ্রহণ করেন মোহাম্মদ হাসান। তবে অভিযোগ রয়েছে, পরবর্তীতে তার মা-বাবার অনুরোধ ও পারিবারিক চাপে তিনি পুনরায় এক সনাতন ধর্মাবলম্বী তরুণীকে বিয়ে করেন।
অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, দ্বিতীয় স্ত্রী বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা এবং তার গর্ভে ওই যুবকের সন্তান রয়েছে। এ অবস্থায় অনাগত সন্তানের ভবিষ্যৎ, মাতৃত্বের অধিকার এবং পারিবারিক নিরাপত্তার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
অন্যদিকে প্রথম স্ত্রী হিসেবে পরিচিত মুসলিম তরুণীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তিনি বিয়ের সময় কিংবা বৈবাহিক জীবনের শুরুতে যুবকের পরবর্তী বিয়ের বিষয়ে অবগত ছিলেন না। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ ও মতপার্থক্য সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং স্থানীয় মহলে নানা প্রশ্ন উত্থাপিত হচ্ছে। বিশেষ করে একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীর অধিকার, বৈবাহিক সম্পর্কের স্বচ্ছতা, পারিবারিক দায়িত্ববোধ এবং অনাগত সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
তবে এ বিষয়ে উত্থাপিত অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের সত্যতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল। তারা সকল পক্ষের বক্তব্য ও প্রমাণ বিবেচনায় নিয়ে ন্যায়সঙ্গত ও মানবিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।
আব্দুল্লাহ আল নোমান– রামু (কক্সবাজার) 

























