
◼️দেলোয়ার খান–স্টাফ রিপোর্টার
রাজধানীর নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ও ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যৌথভাবে একটি প্রতিবাদ সমাবেশে অংশগ্রহণ করেছেন। এই সমাবেশ আয়োজন করা হয়েছে ড. সারোয়ার হোসেন ও আসিফ মাহতাব উৎসকে সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকির বিরুদ্ধে।
সমাবেশে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, ড. সারোয়ার হোসেন ও আসিফ মাহতাব দীর্ঘদিন ধরে একাডেমিকভাবে LGBTQ নরমালাইজেশনের বিরুদ্ধে যুক্তি ও গবেষণার মাধ্যমে কাজ করেছেন। তারা কখনো সহিংসতায় জড়াননি। তারপরও সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে ভয়াবহ হুমকি এবং বিভৎস চিত্র প্রচার করা হয়েছে, যা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর মারাত্মক আঘাত।
ছাত্ররা তীব্রভাবে দাবি জানিয়েছেন, ড. সারোয়ার হোসেন ও আসিফ মাহতাবের নিরাপত্তা অবিলম্বে নিশ্চিত করতে হবে। হুমকিদাতাদের গ্রেফতার ও আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি যারা এই হুমকিকে সমর্থন করেছে তাদেরও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
একজন শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের সম্মানিত শিক্ষকদের যখন হত্যার হুমকি দেওয়া হয়, তখন এটি আমাদের জন্য অপমানজনক। যদি শিক্ষকদের জীবন নিরাপদ না থাকে, একজন সাধারণ নাগরিকের নিরাপত্তা কোথায় থাকবে? বাংলাদেশের মধ্যে কিছু সময় ধরে LGBTQ সংস্কৃতির প্রভাব বিস্তার থাকলেও এখন তা সন্ত্রাসবাদের দিকে ধাবিত হচ্ছে।
নর্থ সাউথের আরেক শিক্ষার্থী উল্লেখ করেন, আমেরিকান সরকার যেখানে LGBTQ-কে প্রতিহত করছে, সেখানে সেই এজেন্ডা আমাদের দেশে প্রয়োগের চেষ্টা হচ্ছে। তাই এমন হুমকি ও সহিংসতা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
আইইউবি শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের প্রতি প্রশ্ন তুলেছেন, কেনো এখনও ড. সারোয়ার হোসেনের পক্ষে কোনো অফিসিয়াল বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। এই ক্রান্তিকালীন সময়ে শিক্ষকদের পক্ষে কেনো তারা কথা বলছেন না, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
বার্তা প্রেরক হিসেবে আইইউবি শিক্ষার্থীদের পক্ষে সিয়াম হাসান এবং নর্থ সাউথ শিক্ষার্থীদের পক্ষে অর্ণব আহমেদ এই প্রতিবাদ সমাবেশের তথ্য জানান।
ছাত্ররা জোরালোভাবে দাবি করছেন, সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সমাজকে সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে একাডেমিক স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার সংরক্ষিত থাকে।
প্রতিবেদকের নাম 























