Dhaka ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচনায় আব্দুল মমিন সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও পথসভার মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৯ নরসিংদীর শিবপুর ও সদরে তিতাসের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট: জ্বলছে না রান্নার চুলা, দুর্ভোগে হাজারো পরিবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে জমি থেকে ৪০১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ কুড়িগ্রামে নিখোঁজের তিন সপ্তাহেও মেলেনি ১০ বছরের শিশু লতিফের সন্ধান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক খুন, আহত ৫

ফেসবুক, ইউটিউব না কি টিকটক? কোন প্ল্যাটফর্মে বেশি সময় দিচ্ছে তরুণরা

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১১:৩২:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
  • ২২৮ সময় দেখুন
print news

◼️তথ্য ও প্রযুক্তি ডেস্ক

 

বর্তমানে তরুণ সমাজের দৈনন্দিন জীবনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের উপস্থিতি অনেকটাই গভীরভাবে প্রভাব বিস্তার করেছে। বিশেষ করে ফেসবুক, ইউটিউব ও টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো সময় কাটানোর প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কোন প্ল্যাটফর্মটি তরুণদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং তারা কোথায় সবচেয়ে বেশি সময় ব্যয় করছে?

সম্প্রতি পরিচালিত বিভিন্ন জরিপ ও গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে ইউটিউব সর্বাধিক সময় ব্যয় করা প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। গান, নাটক, ব্লগ, তথ্যবহুল কনটেন্ট ও শিক্ষামূলক ভিডিও সহজলভ্য হওয়ায় ইউটিউবকে তরুণরা একধরনের বিকল্প ক্লাসরুম হিসেবেও ব্যবহার করছে।

অন্যদিকে ফেসবুক এখনো যোগাযোগ ও আপডেট জানার অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলেও আগের মতো আকর্ষণ ধরে রাখতে পারছে না। তরুণদের অনেকেই অভিযোগ করেন, ফেসবুকে সময় নষ্ট বেশি হয়, উপকার কম।

টিকটকের জনপ্রিয়তা তরুণদের একটি বড় অংশের মধ্যে দ্রুতই বাড়ছে। অল্প সময়ে বিনোদন পেতে যারা আগ্রহী, তারা মূলত এই প্ল্যাটফর্মটিকে বেছে নিচ্ছেন। তবে এটি নিয়ে মতভেদ রয়েছে। কেউ কেউ একে সময় নষ্ট ও মানসিক বিভ্রান্তির উৎস বলেও মন্তব্য করছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যেকোনো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার নির্ভর করে ব্যবহারকারীর উদ্দেশ্য ও নিয়ন্ত্রণের উপর। শুধুমাত্র বিনোদনের উদ্দেশ্যে প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করলে তা সময় নষ্টে পরিণত হতে পারে। কিন্তু তথ্য, শিক্ষা ও গবেষণার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করলে এগুলো হতে পারে এক শক্তিশালী সহযাত্রী।

তরুণদের উচিত সময় ব্যবস্থাপনায় সচেতন থাকা। কারণ, প্রযুক্তি হতে পারে আশীর্বাদ আবার অতিরিক্ত আসক্তি থেকে হতে পারে অভিশাপও।

সময় এসেছে নিজেকে জিজ্ঞেস করার, প্রযুক্তি আমাকে চালাচ্ছে, না আমি প্রযুক্তিকে চালাচ্ছি।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ

ফেসবুক, ইউটিউব না কি টিকটক? কোন প্ল্যাটফর্মে বেশি সময় দিচ্ছে তরুণরা

আপডেটের সময়: ১১:৩২:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
print news

◼️তথ্য ও প্রযুক্তি ডেস্ক

 

বর্তমানে তরুণ সমাজের দৈনন্দিন জীবনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের উপস্থিতি অনেকটাই গভীরভাবে প্রভাব বিস্তার করেছে। বিশেষ করে ফেসবুক, ইউটিউব ও টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো সময় কাটানোর প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কোন প্ল্যাটফর্মটি তরুণদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং তারা কোথায় সবচেয়ে বেশি সময় ব্যয় করছে?

সম্প্রতি পরিচালিত বিভিন্ন জরিপ ও গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে ইউটিউব সর্বাধিক সময় ব্যয় করা প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। গান, নাটক, ব্লগ, তথ্যবহুল কনটেন্ট ও শিক্ষামূলক ভিডিও সহজলভ্য হওয়ায় ইউটিউবকে তরুণরা একধরনের বিকল্প ক্লাসরুম হিসেবেও ব্যবহার করছে।

অন্যদিকে ফেসবুক এখনো যোগাযোগ ও আপডেট জানার অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলেও আগের মতো আকর্ষণ ধরে রাখতে পারছে না। তরুণদের অনেকেই অভিযোগ করেন, ফেসবুকে সময় নষ্ট বেশি হয়, উপকার কম।

টিকটকের জনপ্রিয়তা তরুণদের একটি বড় অংশের মধ্যে দ্রুতই বাড়ছে। অল্প সময়ে বিনোদন পেতে যারা আগ্রহী, তারা মূলত এই প্ল্যাটফর্মটিকে বেছে নিচ্ছেন। তবে এটি নিয়ে মতভেদ রয়েছে। কেউ কেউ একে সময় নষ্ট ও মানসিক বিভ্রান্তির উৎস বলেও মন্তব্য করছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যেকোনো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার নির্ভর করে ব্যবহারকারীর উদ্দেশ্য ও নিয়ন্ত্রণের উপর। শুধুমাত্র বিনোদনের উদ্দেশ্যে প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করলে তা সময় নষ্টে পরিণত হতে পারে। কিন্তু তথ্য, শিক্ষা ও গবেষণার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করলে এগুলো হতে পারে এক শক্তিশালী সহযাত্রী।

তরুণদের উচিত সময় ব্যবস্থাপনায় সচেতন থাকা। কারণ, প্রযুক্তি হতে পারে আশীর্বাদ আবার অতিরিক্ত আসক্তি থেকে হতে পারে অভিশাপও।

সময় এসেছে নিজেকে জিজ্ঞেস করার, প্রযুক্তি আমাকে চালাচ্ছে, না আমি প্রযুক্তিকে চালাচ্ছি।