Dhaka ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচনায় আব্দুল মমিন সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও পথসভার মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৯ নরসিংদীর শিবপুর ও সদরে তিতাসের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট: জ্বলছে না রান্নার চুলা, দুর্ভোগে হাজারো পরিবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে জমি থেকে ৪০১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ কুড়িগ্রামে নিখোঁজের তিন সপ্তাহেও মেলেনি ১০ বছরের শিশু লতিফের সন্ধান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক খুন, আহত ৫

ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে

print news

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে আবারও আলোচনায় বিএনপি। অভিযোগ উঠেছে, একটি বিশেষ আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে ভোটারদের হাতে হাতে বিকাশ ও নগদ নম্বর সংবলিত ‘ভোটার সম্মানি রশিদ’ সরবরাহ করা হচ্ছে। আর এ ঘটনার দায় চাপানো হচ্ছে জামায়াতে ইসলামীর ওপর।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দেখা যায়, “ভোটার সম্মানি রশিদ” শিরোনামে একটি ফরম, যেখানে ভোটারের নাম, এনআইডি নম্বর, মোবাইল নম্বর উল্লেখ করে নিচে বিকাশ/নগদ নম্বর লেখা রয়েছে। রশিদের নিচে বিএনপির নাম ও সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির উল্লেখ থাকায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় একাধিক ভোটার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ভোটের আগে এ ধরনের রশিদ দিয়ে পরে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। তাদের দাবি, এটি সরাসরি ভোট কেনার কৌশল এবং নির্বাচনী আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন।

অভিযোগের বিষয়ে বিএনপির স্থানীয় নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে দায় অস্বীকার করে বলছেন, “এটি প্রতিপক্ষের সাজানো নাটক” এবং এর সঙ্গে জামায়াতের সংশ্লিষ্টতার কথা তুলে ধরছেন। তবে অভিযোগকারীদের মতে, রশিদে থাকা দলীয় পরিচয় ও সাংগঠনিক তথ্য বিএনপির সম্পৃক্ততাকেই স্পষ্ট করছে।

নির্বাচনী বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভোটারকে অর্থ বা আর্থিক সুবিধার প্রতিশ্রুতি দেওয়া নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধির গুরুতর লঙ্ঘন। প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী ও দলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সচেতন নাগরিক ও স্থানীয় রাজনৈতিক মহল। তারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ

ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে

আপডেটের সময়: ১০:২১:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
print news

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে আবারও আলোচনায় বিএনপি। অভিযোগ উঠেছে, একটি বিশেষ আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে ভোটারদের হাতে হাতে বিকাশ ও নগদ নম্বর সংবলিত ‘ভোটার সম্মানি রশিদ’ সরবরাহ করা হচ্ছে। আর এ ঘটনার দায় চাপানো হচ্ছে জামায়াতে ইসলামীর ওপর।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দেখা যায়, “ভোটার সম্মানি রশিদ” শিরোনামে একটি ফরম, যেখানে ভোটারের নাম, এনআইডি নম্বর, মোবাইল নম্বর উল্লেখ করে নিচে বিকাশ/নগদ নম্বর লেখা রয়েছে। রশিদের নিচে বিএনপির নাম ও সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির উল্লেখ থাকায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় একাধিক ভোটার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ভোটের আগে এ ধরনের রশিদ দিয়ে পরে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। তাদের দাবি, এটি সরাসরি ভোট কেনার কৌশল এবং নির্বাচনী আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন।

অভিযোগের বিষয়ে বিএনপির স্থানীয় নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে দায় অস্বীকার করে বলছেন, “এটি প্রতিপক্ষের সাজানো নাটক” এবং এর সঙ্গে জামায়াতের সংশ্লিষ্টতার কথা তুলে ধরছেন। তবে অভিযোগকারীদের মতে, রশিদে থাকা দলীয় পরিচয় ও সাংগঠনিক তথ্য বিএনপির সম্পৃক্ততাকেই স্পষ্ট করছে।

নির্বাচনী বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভোটারকে অর্থ বা আর্থিক সুবিধার প্রতিশ্রুতি দেওয়া নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধির গুরুতর লঙ্ঘন। প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী ও দলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সচেতন নাগরিক ও স্থানীয় রাজনৈতিক মহল। তারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।