
নিজস্ব প্রতিবেদন:
বাগেরহাট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম সোহাগ ও জিউধরা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি খান মহিউদ্দিন রিপনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এ প্রসঙ্গে রোববার(১৫ জুন) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, “বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন” নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে তাদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। একইসঙ্গে বিএনপির মোড়েলগঞ্জ-শরণখোলার ২০১৮ সালের চূড়ান্ত মনোনয়নপ্রাপ্ত নেতা কাজী খায়রুজ্জামান শিপনকেও ওই অপপ্রচারে জড়ানো হয়েছে।
সাইফুল ইসলাম সোহাগ বলেন, “শিপন ভাইয়ের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি কুচক্রী মহল এনসিপি নামধারী দলের ছত্রছায়ায় ও সরকারি দলের ঘনিষ্ঠ দালালদের সহযোগিতায় এসব অপপ্রচারে নেমেছে। উদ্দেশ্য একটাই—আন্দোলন-সংগ্রামে যুক্ত প্রকৃত বিএনপি নেতাকর্মীদের হেয় করা এবং বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দলকে বিভক্ত করা।”
তিনি আরও বলেন, “আমি ছাত্রদলের সাবেক জেলা সদস্য হিসেবে মাঠে সক্রিয় ছিলাম। কিছু সুবিধাবাদী ব্যক্তি এখন সামাজিকভাবে আমাদের চরিত্রহননের চেষ্টা করছে, যেন তারা দলে নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করতে পারে।”
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, সোহাগ ও রিপনের বিরুদ্ধে ৫ কোটি টাকা মূল্যের একটি মাছের ঘের দখলের মিথ্যা অভিযোগ ছড়ানো হয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই ঘেরটি ২০২৪ সালে এলাকার প্রকৃত মালিকদের সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে পুনরুদ্ধার করা হয় এবং ২০২৫ সাল থেকে তারা আইনি প্রক্রিয়ায় ঘেরটি পরিচালনা করছেন।
তারা অভিযোগ করেন, অতীতে ওই ঘেরটি আওয়ামী লীগের পরিচিত এক ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ আত্মীয় মহর আলী গাজীর নাতি জোরপূর্বক দখলে রেখেছিল। বর্তমানে সেই পক্ষ ‘বৈষম্যবিরোধী’ পরিচয়ে প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করে যাচ্ছে। তবে ইতোমধ্যে স্থানীয় জনগণ ও জমির প্রকৃত মালিকদের সামনে এসব অভিযোগের জবাব দেওয়া হয়েছে।
সোহাগ ও রিপন বলেন, “এ ধরনের অপপ্রচার আমাদের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ণ করেছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিচ্ছি।”
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়ে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের অনুরোধ জানানো হয়।
প্রতিবেদকের নাম 




















