
স্বাস্থ্য ডেস্ক◼️
অনেকেই কান পরিষ্কারের জন্য ব্যবহার করেন কটন বাড বা কাপড়ের টুকরো। মনে করেন, এতে ময়লা বের হয়ে আসে। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা। বরং এই অভ্যাসই একদিন আপনার শ্রবণশক্তি কেড়ে নিতে পারে।
চিকিৎসকদের মতে, কানের ভেতর একটি প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থা থাকে—যা শরীর নিজেই নিয়ন্ত্রণ করে। কানের ভিতরে যে ময়লা বা “ইয়ার ওয়াক্স” জমে, সেটি আসলে একধরনের সুরক্ষা স্তর। এটি কানের ত্বককে আর্দ্র রাখে এবং বাইরের জীবাণু বা ধুলাবালু থেকে রক্ষা করে।
কিন্তু যখন কেউ কটন বাড বা টিস্যু কানের গভীরে ঢোকায়, তখন এই প্রাকৃতিক স্তর ভেঙে পড়ে। অনেক সময় ময়লা বের হওয়ার বদলে আরও ভেতরে ঠেলে দেওয়া হয়, যা কানের পর্দায় চাপ ফেলে। এতে সাময়িক শ্রবণ সমস্যা, চুলকানি, ইনফেকশন এমনকি কানের পর্দা ফেটে যাওয়া পর্যন্ত হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কটন বাডের ব্যবহারে কানের ভেতরের সূক্ষ্ম ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে শ্রবণশক্তি হ্রাস পেতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে হয়,কান থেকে রক্ত আসা বা ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন।
তাহলে কী করবেন?
◼️কান পরিষ্কারের জন্য কোনো বস্তু কানে ঢোকানো একেবারেই নিষেধ।
◼️যদি কানে ভারি লাগা, শব্দ আটকে থাকা বা ব্যথা অনুভব করেন, তবে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।
◼️প্রয়োজনে ENT বিশেষজ্ঞ ‘ইয়ার ওয়াক্স রিমুভাল’ করে থাকেন নিরাপদভাবে।
অবহেলিত ছোট অভ্যাসগুলোই একসময় বড় বিপদ ডেকে আনে। তাই নিজেকে ও পরিবারকে কটন বাড বা টিস্যু দিয়ে কানের যত্ন নেওয়ার বদভ্যাস থেকে বিরত রাখুন। কারণ শ্রবণশক্তি হারানো মানে জীবনের এক অপূরণীয় ক্ষতি।
প্রতিবেদকের নাম 


























