Dhaka ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচনায় আব্দুল মমিন সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও পথসভার মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৯ নরসিংদীর শিবপুর ও সদরে তিতাসের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট: জ্বলছে না রান্নার চুলা, দুর্ভোগে হাজারো পরিবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে জমি থেকে ৪০১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ কুড়িগ্রামে নিখোঁজের তিন সপ্তাহেও মেলেনি ১০ বছরের শিশু লতিফের সন্ধান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক খুন, আহত ৫

গোসলের সঠিক সময় জানেন? ভুল সময়ে গোসল করলে হতে পারে যেসব ক্ষতি

print news

স্বাস্থ্য ডেস্ক◼️

 

প্রতিদিনের জীবনে গোসল শুধু একটি পরিচ্ছন্নতার প্রক্রিয়া নয়, এটি শরীর ও মনের প্রশান্তি, রোগ প্রতিরোধ এবং সুস্থ জীবনের অন্যতম চাবিকাঠি। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না—গোসলের সময় নির্বাচনে অসচেতনতা আমাদের শরীরে নানা সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

গবেষণা বলছে, দিনের নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী গোসলের কিছু উপকারিতা থাকলেও, কিছু সময় আছে যা গোসলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। যেমন সকালের গোসল রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, মস্তিষ্ককে সক্রিয় করে এবং মনকে সতেজ রাখে। দিনের কাজ শুরুর আগে এটি শরীরে বাড়তি শক্তি যোগায়।

অন্যদিকে রাতে ঘুমানোর আগে গোসল করলে শরীর ঠান্ডা হয়, ঘাম শুকায়, মানসিক চাপ কমে যায় এবং ঘুম গভীর হয়। বিশেষ করে হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করা রাতের ঘুমের জন্য খুবই উপকারী।

তবে বিপত্তি শুরু হয় যখন আমরা খুব ভোরে, রাতের মাঝখানে বা অতিরিক্ত ক্লান্ত অবস্থায় ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই সময়গুলোতে শরীরের তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে কম থাকে। তখন হঠাৎ ঠান্ডা পানির সংস্পর্শে শরীর প্রবল চাপ অনুভব করে।

এই ধরণের গোসল উচ্চ রক্তচাপ, অ্যাজমা, হৃদরোগ কিংবা স্নায়বিক দুর্বলতায় ভোগা মানুষের জন্য মারাত্মক হতে পারে। কেউ কেউ এমন সময় গোসল করার পর মাথা ব্যথা, বুকে ব্যথা বা মাথা ঘোরা অনুভব করেন—যা অবহেলা করলে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরিণত হতে পারে।

শরীর ঘামছে এমন অবস্থায় হুট করে ঠান্ডা পানি ব্যবহার করাও অনুচিত। এতে মাংসপেশিতে টান ধরে, স্নায়ু সংকুচিত হয়, এমনকি ত্বকে র‌্যাশ বা ব্যথাও হতে পারে।

তাই চিকিৎসকেরা পরামর্শ দেন—সকালের দিকে কুসুম গরম পানি ব্যবহার করাই ভালো। রাতে ঘুমের আগে হালকা গোসল ক্লান্তি দূর করে, ঘুমে সহায়তা করে। আর অসুস্থ বা দুর্বল অবস্থায় হুট করে গোসল না করে বিশ্রাম নেওয়াই উত্তম।

সচেতনতার শুরু হোক ছোট ছোট অভ্যাস থেকে। কারণ আপনার একবারের অসতর্কতা হতে পারে বড় কোনো স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ। তাই সঠিক সময়, সঠিক পদ্ধতিতে গোসল করে সুস্থ থাকুন, সজীব থাকুন।

সুস্থ জীবন গড়ে ওঠে স্বাস্থ্যবান অভ্যাসে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ

গোসলের সঠিক সময় জানেন? ভুল সময়ে গোসল করলে হতে পারে যেসব ক্ষতি

আপডেটের সময়: ১১:৪৪:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫
print news

স্বাস্থ্য ডেস্ক◼️

 

প্রতিদিনের জীবনে গোসল শুধু একটি পরিচ্ছন্নতার প্রক্রিয়া নয়, এটি শরীর ও মনের প্রশান্তি, রোগ প্রতিরোধ এবং সুস্থ জীবনের অন্যতম চাবিকাঠি। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না—গোসলের সময় নির্বাচনে অসচেতনতা আমাদের শরীরে নানা সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

গবেষণা বলছে, দিনের নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী গোসলের কিছু উপকারিতা থাকলেও, কিছু সময় আছে যা গোসলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। যেমন সকালের গোসল রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, মস্তিষ্ককে সক্রিয় করে এবং মনকে সতেজ রাখে। দিনের কাজ শুরুর আগে এটি শরীরে বাড়তি শক্তি যোগায়।

অন্যদিকে রাতে ঘুমানোর আগে গোসল করলে শরীর ঠান্ডা হয়, ঘাম শুকায়, মানসিক চাপ কমে যায় এবং ঘুম গভীর হয়। বিশেষ করে হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করা রাতের ঘুমের জন্য খুবই উপকারী।

তবে বিপত্তি শুরু হয় যখন আমরা খুব ভোরে, রাতের মাঝখানে বা অতিরিক্ত ক্লান্ত অবস্থায় ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই সময়গুলোতে শরীরের তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে কম থাকে। তখন হঠাৎ ঠান্ডা পানির সংস্পর্শে শরীর প্রবল চাপ অনুভব করে।

এই ধরণের গোসল উচ্চ রক্তচাপ, অ্যাজমা, হৃদরোগ কিংবা স্নায়বিক দুর্বলতায় ভোগা মানুষের জন্য মারাত্মক হতে পারে। কেউ কেউ এমন সময় গোসল করার পর মাথা ব্যথা, বুকে ব্যথা বা মাথা ঘোরা অনুভব করেন—যা অবহেলা করলে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরিণত হতে পারে।

শরীর ঘামছে এমন অবস্থায় হুট করে ঠান্ডা পানি ব্যবহার করাও অনুচিত। এতে মাংসপেশিতে টান ধরে, স্নায়ু সংকুচিত হয়, এমনকি ত্বকে র‌্যাশ বা ব্যথাও হতে পারে।

তাই চিকিৎসকেরা পরামর্শ দেন—সকালের দিকে কুসুম গরম পানি ব্যবহার করাই ভালো। রাতে ঘুমের আগে হালকা গোসল ক্লান্তি দূর করে, ঘুমে সহায়তা করে। আর অসুস্থ বা দুর্বল অবস্থায় হুট করে গোসল না করে বিশ্রাম নেওয়াই উত্তম।

সচেতনতার শুরু হোক ছোট ছোট অভ্যাস থেকে। কারণ আপনার একবারের অসতর্কতা হতে পারে বড় কোনো স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ। তাই সঠিক সময়, সঠিক পদ্ধতিতে গোসল করে সুস্থ থাকুন, সজীব থাকুন।

সুস্থ জীবন গড়ে ওঠে স্বাস্থ্যবান অভ্যাসে।