Dhaka ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচনায় আব্দুল মমিন সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও পথসভার মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৯ নরসিংদীর শিবপুর ও সদরে তিতাসের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট: জ্বলছে না রান্নার চুলা, দুর্ভোগে হাজারো পরিবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে জমি থেকে ৪০১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ কুড়িগ্রামে নিখোঁজের তিন সপ্তাহেও মেলেনি ১০ বছরের শিশু লতিফের সন্ধান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক খুন, আহত ৫

তথ্য চাইতে এসে ‘স্যার’ না ডাকায় সাংবাদিকের উপর চটলেন ইউএনও

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১০:০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মার্চ ২০২৪
  • ২৮০ সময় দেখুন
print news

মাধবপুর প্রতিনিধি:হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুরের ইউএনও একেএম ফয়সালককে স্যার না ডাকায় কালবেলার মাধবপুর প্রতিনিধি মুজাহিদ মসির উপর চটলেন ওই ইউএনও।

এ ঘটনায় উপজেলার বেশিরভাগ সাংবাদিক ও সচেতনমহলে ইউএনওর বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় বইছে।এ ঘটনার তদন্তের দাবীতে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সূত্র জানায়,রবিবার (১৭ মার্চ) অফিসে খোলা দেখায় কালবেলার প্রতিনিধি মুজাহিদ মসি স্থানীয় দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রের তথ্য প্রাপ্তির আবেদনের জবাব আনতে গেলে ইউএনওকে “ভাই” বলে সম্বোধন করায় উত্তেজনা প্রদর্শন করেন অফিসে সবার সামনে। এ সময় পাশে বসে থাকা এসিল্যান্ড রাহাত বিন কুতুকে ইউএনওকে সমর্থন করেন অপমান করারও চেষ্টা করেন।ওই ইউএনও ও এসিল্যান্ড তখন বলেন,প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তাদের উপজেলা লেভেলের সাংবাদিকরা কোনভাবেই ভাই বলে সম্বোধন করতে পারেন না।আমরা তাদের আত্বীয়-স্বজন নই।

মাধবপুর রিপোর্টাস ইউনিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নারায়ন সরকার নয়ন বলেন,সাংবাদিকরা তথ্য খুঁজে জনগণের সামনে পেশ করেন।অহংকারী জমিদার মাইন্ডের কতিপয় ইউএনওদের স্যার ডাক শুনার খায়েশ সম্পূর্ণ আইন -বিধিও গণতন্ত্র বিরোধী। অনতিবিলম্বে সাংবাদিক মোজাহিদ মসিকে দ্রুত তার আবেদিত তথ্য প্রদান ও ক্ষমা না চাইলে আমরা সাংবাদিকরা মিলে মানববন্ধনের আয়োজন করবো।

এ বিষয়ে জানতে ইউএনও কেএম ফয়সালকে একবার ফোন দেওয়া হলেও ফোন রিসিভ হয়নি।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক মুজাহিদ মসি জানান,ইউএনও নিজেই আমকে চিঠি দিয়ে ৫ কর্ম দিবসের মধ্যে তথ্য নিয়ে যেতে বলেছেন। এখন সে তথ্য দিতে গরিমসি করছে উল্টো আমাকে স্যার না ডাকার অজুহাতে আমাকে অপমান করতে চাইছেন ।ওই তথ্য ফাঁস হলে নিজেই দুর্নীতি দায়ে ফেসে যেতে পারেন।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার আবু আহমেদ সিদ্দিকি, এনডিসি জানান,সাংবাদিকদের কাউকেই যত বড় কর্মকর্তা হউক না কেন কাউকে স্যার বলে ডাকার নিয়ম নেই। তথ্য নিতে আসা কালবেলার সাংবাদিকের সাথে ইউএনও বেশামাল আচরনের বিষয়টা তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবেই আর তথ্যও দেয়া হবে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ

তথ্য চাইতে এসে ‘স্যার’ না ডাকায় সাংবাদিকের উপর চটলেন ইউএনও

আপডেটের সময়: ১০:০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মার্চ ২০২৪
print news

মাধবপুর প্রতিনিধি:হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুরের ইউএনও একেএম ফয়সালককে স্যার না ডাকায় কালবেলার মাধবপুর প্রতিনিধি মুজাহিদ মসির উপর চটলেন ওই ইউএনও।

এ ঘটনায় উপজেলার বেশিরভাগ সাংবাদিক ও সচেতনমহলে ইউএনওর বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় বইছে।এ ঘটনার তদন্তের দাবীতে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সূত্র জানায়,রবিবার (১৭ মার্চ) অফিসে খোলা দেখায় কালবেলার প্রতিনিধি মুজাহিদ মসি স্থানীয় দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রের তথ্য প্রাপ্তির আবেদনের জবাব আনতে গেলে ইউএনওকে “ভাই” বলে সম্বোধন করায় উত্তেজনা প্রদর্শন করেন অফিসে সবার সামনে। এ সময় পাশে বসে থাকা এসিল্যান্ড রাহাত বিন কুতুকে ইউএনওকে সমর্থন করেন অপমান করারও চেষ্টা করেন।ওই ইউএনও ও এসিল্যান্ড তখন বলেন,প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তাদের উপজেলা লেভেলের সাংবাদিকরা কোনভাবেই ভাই বলে সম্বোধন করতে পারেন না।আমরা তাদের আত্বীয়-স্বজন নই।

মাধবপুর রিপোর্টাস ইউনিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নারায়ন সরকার নয়ন বলেন,সাংবাদিকরা তথ্য খুঁজে জনগণের সামনে পেশ করেন।অহংকারী জমিদার মাইন্ডের কতিপয় ইউএনওদের স্যার ডাক শুনার খায়েশ সম্পূর্ণ আইন -বিধিও গণতন্ত্র বিরোধী। অনতিবিলম্বে সাংবাদিক মোজাহিদ মসিকে দ্রুত তার আবেদিত তথ্য প্রদান ও ক্ষমা না চাইলে আমরা সাংবাদিকরা মিলে মানববন্ধনের আয়োজন করবো।

এ বিষয়ে জানতে ইউএনও কেএম ফয়সালকে একবার ফোন দেওয়া হলেও ফোন রিসিভ হয়নি।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক মুজাহিদ মসি জানান,ইউএনও নিজেই আমকে চিঠি দিয়ে ৫ কর্ম দিবসের মধ্যে তথ্য নিয়ে যেতে বলেছেন। এখন সে তথ্য দিতে গরিমসি করছে উল্টো আমাকে স্যার না ডাকার অজুহাতে আমাকে অপমান করতে চাইছেন ।ওই তথ্য ফাঁস হলে নিজেই দুর্নীতি দায়ে ফেসে যেতে পারেন।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার আবু আহমেদ সিদ্দিকি, এনডিসি জানান,সাংবাদিকদের কাউকেই যত বড় কর্মকর্তা হউক না কেন কাউকে স্যার বলে ডাকার নিয়ম নেই। তথ্য নিতে আসা কালবেলার সাংবাদিকের সাথে ইউএনও বেশামাল আচরনের বিষয়টা তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবেই আর তথ্যও দেয়া হবে।