
◼️আরিফুর রহমান–লক্ষ্মীপুর সদর
অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন এই রায় ঘোষণা করেন।
রায়ের বিষয়ে এ্যানির আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন জানান, আদালত বলেছেন প্রসিকিউশন এ্যানির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে তাকে মামলার অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলার দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বাদীসহ মোট নয়জন প্রসিকিউশন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।
এ মামলায় ২০১৬ সালের ২৪ মে একই আদালত অভিযোগ গঠন করেন। পরে এ্যানি হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করলে, ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন। সেইসঙ্গে রুল জারি করে এ্যানিকে কেন অব্যাহতি দেওয়া হবে না, তা জানতে চান আদালত।
দীর্ঘ শুনানির পর ২০১৯ সালের ১৪ মে হাইকোর্ট মামলাটির কার্যক্রম আবার শুরু করার নির্দেশ দেন নিম্ন আদালতকে।
এর আগে, ২০১৪ সালের ৯ অক্টোবর দুদকের উপ-পরিচালক মনজুর মোর্শেদ রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
অভিযোগে বলা হয়, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ১ কোটি ৪০ লাখ টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জন করেন এবং বৈধ আয়ের উৎস দেখাতে ব্যর্থ হন।
এছাড়া, তিনি দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ১৩ লাখ ১৩ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেন বলে মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়।
তথ্যমতে, ২০১৩ সালের ৩০ জুন এ্যানির দাখিল করা আয়কর বিবরণীতে তার সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা, যা ২০১৪ সালের ১৫ এপ্রিল দুদকে দাখিলকৃত বিবরণীতে বেড়ে দাঁড়ায় ৩ কোটি ২৫ লাখ টাকায়।
মাত্র ১০ মাসের ব্যবধানে ১ কোটি ৪৮ লাখ টাকার সম্পদ কীভাবে অর্জিত হলো, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে পারেননি বলে মামলায় উল্লেখ ছিল।
তবে দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে এদিন আদালতের রায়ে খালাস পেলেন সাবেক এই সংসদ সদস্য।
প্রতিবেদকের নাম 






















