Dhaka ০৫:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচনায় আব্দুল মমিন সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও পথসভার মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৯ নরসিংদীর শিবপুর ও সদরে তিতাসের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট: জ্বলছে না রান্নার চুলা, দুর্ভোগে হাজারো পরিবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে জমি থেকে ৪০১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ কুড়িগ্রামে নিখোঁজের তিন সপ্তাহেও মেলেনি ১০ বছরের শিশু লতিফের সন্ধান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক খুন, আহত ৫

নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে মৃত্যু: ৫ মাস পর কবর থেকে উত্তোলিত বিএনপি নেতা’র মরদেহ

  • খুলনা ব্যুরো
  • আপডেটের সময়: ০৮:১১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • ১২১ সময় দেখুন
print news

খুলনায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন দায়িত্ব পালনকালে মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ মহিবুজ্জামান কচির (৬৩) মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার তদন্তে নতুন মোড় নিয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে আদালতের নির্দেশে মৃত্যুর পাঁচ মাস পর তার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে মহানগরীর টুটপাড়া কবরস্থানে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুস সাকিবের উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। পিবিআইয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে এ কার্যক্রম চালানো হয়। এসময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিএনপি নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি খুলনা সদর উপজেলার আলিয়া কামিল মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন মহিবুজ্জামান কচি। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ভোটারদের চাপ প্রয়োগের প্রতিবাদ করায় কেন্দ্রের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম সরদার তার গলা চেপে ধরেন এবং ধাক্কা দেন। এতে গাছের সঙ্গে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে তিনি গুরুতর আহত হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরপরই একে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ বলে দাবি করে বিএনপি। তবে স্থানীয় জামায়াত প্রার্থীর দাবি ছিল, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেছেন। সে সময় হাসপাতালের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে শরীরের বড় ধরনের কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলেও জানানো হয়েছিল।
পরবর্তীতে খুলনা সদর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ হারুন মজনু বাদী হয়ে আব্দুর রহিম সরদারসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১৫-২০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। মামলাটির তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
বাদী ইউসুফ হারুন মজনু বলেন, ‘ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের স্বার্থেই আমরা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি। আমরা চাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বেরিয়ে আসুক এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কচির মৃত্যুর কারণ নিয়ে শুরু থেকেই পরস্পরবিরোধী বক্তব্য থাকায় মামলার তদন্তে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এই পুনর্ময়নাতদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ

নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে মৃত্যু: ৫ মাস পর কবর থেকে উত্তোলিত বিএনপি নেতা’র মরদেহ

আপডেটের সময়: ০৮:১১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
print news

খুলনায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন দায়িত্ব পালনকালে মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ মহিবুজ্জামান কচির (৬৩) মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার তদন্তে নতুন মোড় নিয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে আদালতের নির্দেশে মৃত্যুর পাঁচ মাস পর তার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে মহানগরীর টুটপাড়া কবরস্থানে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুস সাকিবের উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। পিবিআইয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে এ কার্যক্রম চালানো হয়। এসময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিএনপি নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি খুলনা সদর উপজেলার আলিয়া কামিল মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন মহিবুজ্জামান কচি। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ভোটারদের চাপ প্রয়োগের প্রতিবাদ করায় কেন্দ্রের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম সরদার তার গলা চেপে ধরেন এবং ধাক্কা দেন। এতে গাছের সঙ্গে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে তিনি গুরুতর আহত হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরপরই একে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ বলে দাবি করে বিএনপি। তবে স্থানীয় জামায়াত প্রার্থীর দাবি ছিল, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেছেন। সে সময় হাসপাতালের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে শরীরের বড় ধরনের কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলেও জানানো হয়েছিল।
পরবর্তীতে খুলনা সদর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ হারুন মজনু বাদী হয়ে আব্দুর রহিম সরদারসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১৫-২০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। মামলাটির তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
বাদী ইউসুফ হারুন মজনু বলেন, ‘ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের স্বার্থেই আমরা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি। আমরা চাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বেরিয়ে আসুক এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কচির মৃত্যুর কারণ নিয়ে শুরু থেকেই পরস্পরবিরোধী বক্তব্য থাকায় মামলার তদন্তে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এই পুনর্ময়নাতদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।