Dhaka ০৮:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচনায় আব্দুল মমিন সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও পথসভার মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৯ নরসিংদীর শিবপুর ও সদরে তিতাসের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট: জ্বলছে না রান্নার চুলা, দুর্ভোগে হাজারো পরিবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে জমি থেকে ৪০১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ কুড়িগ্রামে নিখোঁজের তিন সপ্তাহেও মেলেনি ১০ বছরের শিশু লতিফের সন্ধান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক খুন, আহত ৫

ফ্যানের নিচে ঘুমান?এই অভ্যাসে হতে পারে যেসব বিপদ

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১০:১৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
  • ২৫৯ সময় দেখুন
print news

স্বাস্থ্য ডেস্ক◼️

গরমে স্বস্তি পেতে অনেকেই সোজা ফ্যানের নিচে ঘুমাতে পছন্দ করেন। ভাবেন, ঠাণ্ডা বাতাসে ঘুম ভালো হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, এই অভ্যাস আপনার শরীরের ওপর ফেলতে পারে নেতিবাচক প্রভাব। প্রথমে কিছু বোঝা না গেলেও দীর্ঘ মেয়াদে শরীর দিতে পারে বিরূপ প্রতিক্রিয়া।

সোজা ফ্যানের বাতাস শরীরে সরাসরি লাগলে মাংসপেশি শক্ত হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে রাতে শরীর যখন স্থির থাকে, তখন ঠাণ্ডা বাতাস ঘাড়, পিঠ বা কোমরের স্নায়ুতে চাপ সৃষ্টি করে। ফলে ঘুম থেকে উঠে দেখা যায় ঘাড় ব্যথা, পিঠে টান কিংবা মাথাব্যথা দেখা দিয়েছে।

শুধু তাই নয়, ফ্যানের বাতাস শ্বাসনালীকে শুষ্ক করে ফেলে। এতে নাক ও গলার শ্লেষ্মা শুকিয়ে যায়, গলা খুশখুশে লাগে, নাক বন্ধ হয়ে পড়ে এবং কাশি শুরু হয়। যারা অ্যালার্জি বা সাইনাস সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য এটি আরও বিপজ্জনক হতে পারে।

ঘরের বাতাসে ধুলাবালি থাকলে ফ্যানের বাতাস তা দ্রুত ছড়িয়ে দেয়। রাতে দীর্ঘ সময় এই বাতাস শরীরে প্রবেশ করলে শ্বাসকষ্ট বা এলার্জির ঝুঁকি বেড়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমানোর সময় ফ্যানের গতি মাঝারি রাখা উচিত। আর ফ্যান যেন সরাসরি শরীরে না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ঘর ঠাণ্ডা রাখতে চাইলে জানালা খুলে হাওয়া চলাচল নিশ্চিত করা যেতে পারে। আর সম্ভব হলে ব্যবহার করা যেতে পারে ছাদে বা কক্ষে বাতাস ছড়ানো টাইপ ফ্যান (ceiling circulation fan)।

স্বস্তির জন্য সাময়িক আরাম পেলেও, স্বাস্থ্যগত ক্ষতির কথা মাথায় রেখে রাতে ঘুমানোর অভ্যাসে সচেতন হওয়া জরুরি। কারণ, একটুখানি অসতর্কতাই দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সমস্যার কারণ হতে পারে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ

ফ্যানের নিচে ঘুমান?এই অভ্যাসে হতে পারে যেসব বিপদ

আপডেটের সময়: ১০:১৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
print news

স্বাস্থ্য ডেস্ক◼️

গরমে স্বস্তি পেতে অনেকেই সোজা ফ্যানের নিচে ঘুমাতে পছন্দ করেন। ভাবেন, ঠাণ্ডা বাতাসে ঘুম ভালো হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, এই অভ্যাস আপনার শরীরের ওপর ফেলতে পারে নেতিবাচক প্রভাব। প্রথমে কিছু বোঝা না গেলেও দীর্ঘ মেয়াদে শরীর দিতে পারে বিরূপ প্রতিক্রিয়া।

সোজা ফ্যানের বাতাস শরীরে সরাসরি লাগলে মাংসপেশি শক্ত হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে রাতে শরীর যখন স্থির থাকে, তখন ঠাণ্ডা বাতাস ঘাড়, পিঠ বা কোমরের স্নায়ুতে চাপ সৃষ্টি করে। ফলে ঘুম থেকে উঠে দেখা যায় ঘাড় ব্যথা, পিঠে টান কিংবা মাথাব্যথা দেখা দিয়েছে।

শুধু তাই নয়, ফ্যানের বাতাস শ্বাসনালীকে শুষ্ক করে ফেলে। এতে নাক ও গলার শ্লেষ্মা শুকিয়ে যায়, গলা খুশখুশে লাগে, নাক বন্ধ হয়ে পড়ে এবং কাশি শুরু হয়। যারা অ্যালার্জি বা সাইনাস সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য এটি আরও বিপজ্জনক হতে পারে।

ঘরের বাতাসে ধুলাবালি থাকলে ফ্যানের বাতাস তা দ্রুত ছড়িয়ে দেয়। রাতে দীর্ঘ সময় এই বাতাস শরীরে প্রবেশ করলে শ্বাসকষ্ট বা এলার্জির ঝুঁকি বেড়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমানোর সময় ফ্যানের গতি মাঝারি রাখা উচিত। আর ফ্যান যেন সরাসরি শরীরে না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ঘর ঠাণ্ডা রাখতে চাইলে জানালা খুলে হাওয়া চলাচল নিশ্চিত করা যেতে পারে। আর সম্ভব হলে ব্যবহার করা যেতে পারে ছাদে বা কক্ষে বাতাস ছড়ানো টাইপ ফ্যান (ceiling circulation fan)।

স্বস্তির জন্য সাময়িক আরাম পেলেও, স্বাস্থ্যগত ক্ষতির কথা মাথায় রেখে রাতে ঘুমানোর অভ্যাসে সচেতন হওয়া জরুরি। কারণ, একটুখানি অসতর্কতাই দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সমস্যার কারণ হতে পারে।