Dhaka ০৩:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচনায় আব্দুল মমিন সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও পথসভার মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৯ নরসিংদীর শিবপুর ও সদরে তিতাসের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট: জ্বলছে না রান্নার চুলা, দুর্ভোগে হাজারো পরিবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে জমি থেকে ৪০১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ কুড়িগ্রামে নিখোঁজের তিন সপ্তাহেও মেলেনি ১০ বছরের শিশু লতিফের সন্ধান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক খুন, আহত ৫

লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি প্রার্থী এডভোকেট হ্যাপি চৌধুরী

print news

▪️আরিফুর রহমান–লক্ষ্মীপুর সদর

লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন এডভোকেট ওয়াহিদ উদ্দীন চৌধুরী হ্যাপি। ১৯৮২ সালে এসএসসি ও ১৯৮৪ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া হ্যাপি চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে এলএলবি (অনার্স) এবং পরবর্তীতে এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী মনোভাবের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে ১৯৯১ সালে তিনি ছাত্রলীগ থেকে পদত্যাগ করেন এবং পরে ছাত্রলীগ (মিজান-লনি) গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৯২ সালে তিনি জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া তথা গণফোরাম গঠনে সক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করেন, যা তার গণতন্ত্রের প্রতি দৃঢ় অবস্থান প্রমাণ করে।

১৯৯৬ সালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং দলের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে সক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করেন। ২০০১ ও ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির নেতৃত্বে দলের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ২০০৭ সালের ওয়ান-ইলেভেনের রাজনৈতিক অস্থিরতায় তিনি লক্ষ্মীপুরে দলের একমাত্র ভরসা হিসেবে দলের নেতাকর্মীদের সাহস সঞ্চার করেন।

বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচিত সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ফ্যাসিবাদী সরকারের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামে তার অবদান বিশেষভাবে প্রশংসনীয়।

দলের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা মনে করেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কারণে হ্যাপি চৌধুরী লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপিকে সুসংগঠিত, শক্তিশালী এবং কর্মীবান্ধব দলে রূপান্তরিত করতে সক্ষম। তার নেতৃত্বে বিএনপির ভবিষ্যৎ আরও দৃঢ় ও ঐক্যবদ্ধ হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ

লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি প্রার্থী এডভোকেট হ্যাপি চৌধুরী

আপডেটের সময়: ০৮:২১:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
print news

▪️আরিফুর রহমান–লক্ষ্মীপুর সদর

লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন এডভোকেট ওয়াহিদ উদ্দীন চৌধুরী হ্যাপি। ১৯৮২ সালে এসএসসি ও ১৯৮৪ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া হ্যাপি চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে এলএলবি (অনার্স) এবং পরবর্তীতে এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী মনোভাবের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে ১৯৯১ সালে তিনি ছাত্রলীগ থেকে পদত্যাগ করেন এবং পরে ছাত্রলীগ (মিজান-লনি) গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৯২ সালে তিনি জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া তথা গণফোরাম গঠনে সক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করেন, যা তার গণতন্ত্রের প্রতি দৃঢ় অবস্থান প্রমাণ করে।

১৯৯৬ সালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং দলের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে সক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করেন। ২০০১ ও ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির নেতৃত্বে দলের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ২০০৭ সালের ওয়ান-ইলেভেনের রাজনৈতিক অস্থিরতায় তিনি লক্ষ্মীপুরে দলের একমাত্র ভরসা হিসেবে দলের নেতাকর্মীদের সাহস সঞ্চার করেন।

বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচিত সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ফ্যাসিবাদী সরকারের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামে তার অবদান বিশেষভাবে প্রশংসনীয়।

দলের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা মনে করেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কারণে হ্যাপি চৌধুরী লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপিকে সুসংগঠিত, শক্তিশালী এবং কর্মীবান্ধব দলে রূপান্তরিত করতে সক্ষম। তার নেতৃত্বে বিএনপির ভবিষ্যৎ আরও দৃঢ় ও ঐক্যবদ্ধ হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।