
ইসলামিক ডেস্ক◼️
ইসলামে সপ্তাহের সবচেয়ে বরকতময় ও মর্যাদার দিন হলো জুমা, অর্থাৎ শুক্রবার। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, “হে যারা ঈমান এনেছ, জুমার দিনে যখন সালাতের আহ্বান জানানো হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হও।(সূরা জুমা: ৯)
এই দিনকে বলা হয় ‘সপ্তাহের ঈদ’। একে কেন্দ্র করে রয়েছে অসংখ্য হাদীস, বরকত ও গোপন রহস্য। হাদীসে এসেছে,
“জুমার দিন এমন একটি সময় আছে, যখন কোনো বান্দা আল্লাহর কাছে যা চায়, আল্লাহ তা কবুল করে নেন।(সহীহ মুসলিম)
বিশেষ করে আসরের পর থেকে মাগরিবের আগে সময়টি “মুস্তাজাব দোয়ার সময়” হিসেবে স্বীকৃত। তাই এই সময়ে হাত তুলে দোয়া করলে জীবনের দুঃখ-কষ্ট মুছে যাওয়ার আশা থাকে।
শুক্রবার গোসল করা, পরিপাটি হওয়া, আতর ব্যবহার করা, সূরা কাহফ পাঠ করা, বেশি বেশি দরুদ পড়া এবং খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা—সবই এই দিনের গুরুত্বপূর্ণ আমল। আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা কাহফ পাঠ করে, তার জন্য দুই জুমার মধ্যকার সময় আলোকিত করা হয়।
এই দিনে আছে জান্নাতের বার্তা, কবরের গুনাহ মাফ হওয়ার দোয়ার দরজা, আর রয়েছে আল্লাহর কাছে নৈকট্য লাভের এক বিশেষ সুযোগ। তাই মুসলিম উম্মাহর উচিত, জুমার দিনটিকে উপেক্ষা না করে, বরং ভালোভাবে পালন করা, নিজের জন্য এবং গোটা উম্মাহর জন্য দোয়া করা।
প্রতিবেদকের নাম 

























